সন্তোষ কুমার মণ্ডল,দুর্গাপুরঃ- দুর্গাপুরে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় হোটেলের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আগেই এক মহিলা সহ তিন জনকে গ্রেফতার হয়েছিল। ধৃতরা হল সিমরন তামাং, আজহারউদ্দিন মল্লিক, সুবীর দাস ও রাজকুমার দে। রাজকুমার দে হোটেল ম্যানেজার। সোমবার ধৃতদের মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।
অভিযোগ গত শনিবার বুদবুদ এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ওষুধ মেশানো মদ্যপান করায় তারই পরিচিত সিমরান তামাং নামে এক তরুণী। তার পর তাকে তিন যুবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ওই যুবকেরা দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার এলাকার একটি হোটেলে ওই ছাত্রীকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে রাতের দিকে বুদবুদ বাইপাস এলাকায় নির্যাতিতা ছাত্রীকে ফেলে রেখে পালায় যুবকেরা। এক টোটোওয়ালা ছাত্রীকে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। এরপরই পরিবারের তরফে দুর্গাপুর মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে সিটিসেন্টার ফাঁড়ির পুলিশ।
অন্যদিকে এদিন ধৃতদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানোর সময় সেখানে উপস্থিত হন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে, তাদের খরচ করে দেওয়া দরকার। কারণ এমন ঘটনা কোনও ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তবে পুলিশ ভাল কাজ করেছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করেছে তারা।’’
বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরাও এদিন ধৃতদের কঠোর শাস্তির দাবিতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ দেখায়। যার জেরে আদালত চত্বরে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুর্গাপুর থানার পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।


















