eaibanglai
Homeএই বাংলায়অবশেষে 'পুষ্পা' গ্রেপ্তার, ভিনদেশে পালিয়ে লাভ হলো না জাহাঙ্গীরের

অবশেষে ‘পুষ্পা’ গ্রেপ্তার, ভিনদেশে পালিয়ে লাভ হলো না জাহাঙ্গীরের

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- “পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” স্লোগান তুলে দীর্ঘ ২০২৬ এর নির্বাচনী পর্ব কাটালেও, আর ফলাফলের পর থেকেই ফলতার প্রাক্তন বিধায়ক জাহাঙ্গীর খান বেপাত্তা। কার্যত জাহাঙ্গীর খান ৪ঠা মে এর পর থেকে গা ঢাকা দেন ভিনদেশে। সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর আসে যে, তিনি নেপালের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নাম ভাঁড়িয়ে লুকিয়ে রয়েছেন। তথ্যটি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই রাজ্য সরকারের বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনী ও এসটিএফ’র বিশেষ দল তৈরি করা হয়। এরপরেই রাজ্য সরকারের এসটিএফের বিশেষ বাহিনী নেপালে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে লুকিয়ে থাকা ফলতার প্রাক্তন বিধায়ক কুখ্যাত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জাহাঙ্গীর খানকে গ্রেপ্তার করে বলে খবর। এই গ্রেপ্তারিকে রাজ্য পুলিশের একটি মস্ত বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্যঃ বেশ কিছু গুরুতর অপরাধমূলক মামলার পর থেকেই পুলিশের খাতায় ফেরার ছিলেন জাহাঙ্গীর খান। পুলিশি তৎপরতা এড়াতে তিনি একসময় রাজ্য ছেড়ে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ নেপালে গিয়ে আত্মগোপন করেন। কিন্তু তার সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এসটিএফ। এসটিএফ কর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই জাহাঙ্গীর খানের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখছিলেন। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করে এসটিএফ-এর দলটি নেপালে পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি ঝটিকা অভিযান (Raid) চালিয়ে জাহাঙ্গীর খান ওরফে পুষ্পাকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ট্রানজিট রিমান্ডের মাধ্যমে তাকে অত্যন্ত গোপনীয়তা ও কড়া নিরাপত্তার সাথে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফলতার প্রাক্তন বিধায়কের এই হাইপ্রোফাইল গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে এবং ফলতা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তার যে আধিপত্য ও প্রভাব ছিল, এই গ্রেপ্তারের পর তা বড়সড় ধাক্কা খেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জাহাঙ্গীর খানকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করার প্রক্রিয়া শুরু করছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা গুলোর তদন্ত আরও এগিয়ে নিতে এবং এই দীর্ঘ পলাতক জীবনে তাকে কারা কারা আর্থিক বা অন্যান্যভাবে সাহায্য করেছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হবে বলে জানা গেছে। আদালতের কাছে তাকে পুলিশি হেফাজতে চেয়ে আবেদন করা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments