নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে কালো পতাকা দেখিয়ে স্লোগান বিজেপি কর্মীদের। ঘটনাকে ঘিরে বুধবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা মজদুর ইউনিয়নের কার্যালয়ে।
এদিন দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর চৈতন্য অ্যাভিনিউতে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা মজদুর ইউনিয়নের কার্যালয়ে বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন জন্ম ও মৃত্যু দিবস উপলক্ষ্যে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। শিবির থেকে বেরোনোর সময় কার্যালয়ের বাইরে জমায়েত করে বিজেপি কর্মীরা দোলা সেনকে কালো পতাকা দেখিয়ে “হায় হায়” “দুর হটো” ও “গো ব্যাক” স্লোগান দিতে থাকে। ঘটনাকে ঘিরে সাময়িক উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কালো পতাকা দেখানো নিয়ে দুর্গাপুর পূর্বের ১ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক দিব্যেন্দু গায়েন বলেন, “আজকের বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন, এই শুভদিনে দুর্গাপুরের মাটিকে কলুষিত করতে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নেত্রী এসেছিলেন, তাই তাকে আমরা কালো পতাকা দেখিয়ে গো ব্যাক স্লোগান দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। “
অন্যদিকে এই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল কর্মীরা জানান তাদের এভাবে রোখা যাবে না। তারা বলেন, আমরাও বলতে পারি যখন একজন দুর্নীতিবাজ প্রধানমন্ত্রী ও একজন জেলখাটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে পা রাখে তখন এই মাটি অপবিত্র হয়ে যায়। রক্তদানের মতো এক মহতি কর্মসূচিতে বাধা দান করে বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাইছে। রক্তদান শিবিরকে যারা বাধা দেয় তারা মানুষ নয় বর্বর জাতি। এর থেকে লজ্জার কিছু হয় না। এখন বিজেপির রাজত্বে সিলেক্টিভ শাসল চলছে। অর্থাৎ বিজেপি কোন অপরাধ করলে দোষ নেই, ডিম ছুঁড়লে দোষ নেই। অন্যের কর্মসূচিতে বাধা দিলে দোষ নেই। বিরোধী দলের মুখ বন্ধ করে দিলে দোষ নেই। এভাবে বিজেপি বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। বিরোধীদের মুখ বন্দ করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। তারা ভয় পায় মানুষ আবার ফিরে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করবে। কারণ গত দুমাস ধরে সরকার যেভাবে পরিচালনা হচ্ছে মানুষ তাতে তিতবিরক্ত। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা।

















