অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, জামুড়িয়া -: উন্নয়নের চকচকে মোড়কের আড়ালে কি তবে চিরতরে মুছে যেতে বসেছে একটি নদীর অস্তিত্ব? পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার পড়ারিয়া এলাকায় ইসিএলের এমডিও প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সিঙ্গারন নদীর করুণ দশা আজ গোটা অঞ্চলের মানুষকে গভীর কান্নার জলে ভাসিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক মর্মান্তিক ভিডিওতে নদী বাঁচাও আন্দোলনকারী ও বাউরী সমাজ শিক্ষা সমিতির আর্তনাদ আজ বাতাস ভারী করে তুলেছে। তাঁদের বুকের রক্ত নিংড়ানো অভিযোগ- শিল্পের কোপে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে নদীটির স্বাভাবিক প্রাণপ্রবাহকে!
প্রকৃতির কোলে এই নিষ্ঠুর আঘাত কেবল একটি নদীকে বাঁচানোর লড়াই নয়, এটি হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার অস্তিত্ব রক্ষার কান্না। প্রশাসনের নীরবতা ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উদাসীনতা আজ প্রশ্ন তুলছে- তবে কি মুনাফার কাছে অসহায় আমাদের পরিবেশ? যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়, তবে আসন্ন দিনে এক ভয়ংকর পরিবেশগত বিপর্যয়ের অভিশাপ নেমে আসবে এই জনপদে।
মানুষের হাহাকার ও সোশ্যাল মিডিয়ার তীব্র ক্ষোভের মাঝেও আজ থমকে আছে প্রশাসন। নদীমাতৃক এই দেশের বুকে মুমূর্ষু সিঙ্গারনকে বাঁচাতে আর কত কান্নার প্রয়োজন? উত্তরহীন এই প্রশ্ন নিয়েই আজ বুকচাপা দীর্ঘশ্বাসে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



















