এই বাংলায়

অনলাইনে শেয়ার কেনা-বেচার ফাঁদে পড়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন ব্যক্তি

By Eaibanglai - December 09, 2024
— Advertisement —
Advertisement
অনলাইনে শেয়ার কেনা-বেচার ফাঁদে পড়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন ব্যক্তি

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- অনলাইনে শেয়ার মার্কেট ট্রেনিং সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন আসানসোলের বার্নপুরের এক বাসিন্দা। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আসানসোল সাইবার থানায় পুরো বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সেই সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাইবার থানার পুলিশ বিএনএসের ৬১(২), ৩১৬(২), ৩১৮ (৪) ও ৩১৯(২) নং ধারায় একটি ( কেস নং ১০২/২৪) মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে আসানসোল দুর্গাপুরের একাধিক মানুষ সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে কোটি টাকারও বেশি খুইয়েছেন। তারমধ্যে বেশির ভাগই অতিরিক্ত লাভের আশায় এই ধরনের অবৈধ শেয়ার কেনাবেচার ফাঁদে পড়ে।

জানা গেছে, চলতি বছরের আগষ্ট মাসের শুরুর দিকে বার্নপুরের বাসিন্দা রামেশ্বর দয়াল সোশাল মিডিয়ায় “ফ্রি শেয়ার মার্কেটিং ট্রেনিং” সংক্রান্ত একটি বিঞ্জাপন দেখে, সেখানে দেখানো অপশনে ক্লিক করেন এবং তিনি শেয়ার কেনাবেচা সংক্রান্ত একটি ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ঢুকে পড়েন। গ্রুপে তিনি দেখেন, অনেকেই শেয়ার কেনাবেচায় টাকা ইনভেস্ট করছে। আর অল্প সময়ের মধ্যে মুনাফা বা লাভও করছে। এরপর তিনি ডিম্যাট একাউন্ট খোলেন ও প্লেস্টোর থেকে ‘ বিবিএল ” নামে একটি অ্যাপ নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করেন। এরপর গত ২২ আগষ্ট প্রথম বার ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। কয়েকদিনের মধ্যে রামেশ্বরবাবু দেখেন, ওই টাকায় তার বেশ লাভ হয়েছে। এরপর তিনি তিনি গত ১০ অক্টোবরের মধ্যে মোট ১০ দফায় সবমিলিয়ে ১০ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। তারপরও সবকিছুই ঠিক ছিলো। বিপত্তি ঘটে, যখন তিনি টাকার কিছু অংশ তুলতে যান। তাকে বলা হয়, আরো কিছু টাকা তাকে বিনিয়োগ করতে হবে, তবেই তিনি টাকা তুলতে পারবেন। কিন্তু তিনি আর টাকা বিনিয়োগ না করে ইনভেস্ট করা টাকার অংশ তোলার চেষ্টা করেন। তাতে তাকে গ্রুপ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই রামেশ্বরবাবু বুঝতে পারেন যে, তিনি সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে প্রতারিত হয়েছেন এবং আসানসোল সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত সাইবার থানার পুলিশের পক্ষ থেকে বার বার এই ধরণের সাইবার অপরাধীদের খপ্পরে না পড়ার জন্য সচেতন করা হচ্ছে। লাগাতার প্রচার চালানো হচ্ছে। তারপরেও কিছু মানুষ সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement