সন্তোষ কুমার মণ্ডল, দুর্গাপুরঃ- আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড থেকে বিমান দুর্ঘটনা বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্গাপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত বুধবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নবীন নীতিনের কর্মসূচিতে যোগ দিতে দুর্গাপুরে এসেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক ইস্যু নিয়ে কথা বলেন তিনি ও আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড থেকে, বিমান দুর্ঘটনায় এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের মৃত্যু, সব ক্ষেত্রেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানায় নেন বিরোধী দলনেতা।
এদিন আনন্দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য ও প্রশাসনকে দুষে দমকল মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, “এত বড় দুর্ঘটনা ঘটার পরেও মুখ্যমন্ত্রী সেখানে এখনো পর্যন্ত একবারও যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন অনুষ্ঠান, উৎসব, সমাবেশ করে বেড়াচ্ছেন। আমি নিজে কাল সেখানে যাবো ও মিছিল করবো।”
অন্যদিকে এদিন বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করে বলেন, “শোকের সময়ে রাজনীতি লজ্জাজনক। যখন সমগ্র দেশ শোকাহত এবং প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, তখন এই ধরনের রাজনৈতিক মন্তব্য নিন্দনীয়। পশ্চিমবঙ্গের মতো শিক্ষিত এবং বৃহৎ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের বক্তব্য লজ্জাজনক। মৃত্য়ুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য করা কেবল অনুপযুক্তই নয়, বরং শোকের অনুভূতিতেও আঘাত করে।”
প্রসঙ্গত এদিন বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তদন্তের দাবি জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রায়শই এই ধরণের ক্ষেত্রে, সবচেয়ে সহজ উপায় হল পাইলটকে দোষারোপ করা ও যান্ত্রিক গোলযোগের কথা সামনে নিয়ে আসা। যেমনটি আগে এই ধরনের ঘটনাগুলিতে দেখা গেছে।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন , মিডিয়া রিপোর্ট তিনি দেখেছেন যে অজিত পাওয়ার এনডিএতে থাকাকালীন তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে, এই ঘটনাটি আরও উদ্বেগজনক বলে মনে হচ্ছে।


















