এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

এক দশক পর একলপ্তে বিপুল নতুন গাড়ি কিনছে নবান্ন: তালিকায় স্করপিও ও টয়োটা

By Eaibanglai - October 01, 2026
— Advertisement —
Advertisement
এক দশক পর একলপ্তে বিপুল নতুন গাড়ি কিনছে নবান্ন: তালিকায় স্করপিও ও টয়োটা

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- প্রায় এক দশক পর এই প্রথম রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একলপ্তে বিপুল সংখ্যক নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একসঙ্গে ১৫১টি নতুন গাড়ি কেনা হচ্ছে। আর এই নতুন গাড়ির তালিকায় মূলত জায়গা করে নিয়েছে মাহিন্দ্রা স্করপিও এবং টয়োটার মতো নামী ব্র্যান্ডের পেট্রোলচালিত গাড়ি।  নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই নতুন গাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। 

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকদের যাতায়াতের জন্য মূলত ভাড়ার গাড়ির উপরেই মূলত নির্ভর করতে হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে সরকারের হাতে থাকা পুরনো গাড়িগুলির অবস্থা কার্যত বেহাল হয়ে পড়েছিল। কোথাও আসনের অবস্থা শোচনীয়, কোথাও আবার এসি কাজ করছিল না। এর পাশাপাশি, এই পুরনো গাড়িগুলির রক্ষণাবেক্ষণের খরচ এবং সেই সঙ্গে জ্বালানি খরচও ক্রমশ  বাড়ছিল। ফলে, মন্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়মিত সরকারি কাজে যাতায়াতের ক্ষেত্রে গাড়ির জোগানে টান পড়ছিল। এর পাশাপাশি, সরকারি দফতরের সঙ্গে যুক্ত গাড়ি সরবরাহকারী এবং পুলকার মালিকদের তরফেও দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাড়ানোর দাবি উঠছিল। ফলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের কথা মাথায় রেখেই নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত বলে নবান্ন সূত্রের খবর।

প্রাথমিক স্তরে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়িকেনার বিষয়ে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু দূরপাল্লার যাতায়াতের ক্ষেত্রে চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি, পর্যাপ্ত চার্জিং পরিকাঠামো বা স্টেশনের অভাব, গাড়ির গতি এবং চড়া দামের বিষয়টি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত পেট্রোলচালিত গাড়ি কেনার দিকেই ঝুঁকেছে প্রশাসন। এ ছাড়া, সরকারি দফতরের সঙ্গে যুক্ত গাড়ি সরবরাহকারী এবং পুলকার মালিকদের তরফ থেকেও দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাড়ানোর একটা চাপ আসছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থার ওপর সেই বাড়তি আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে শুধু গাড়ি কেনাই নয়, এবার এই সরকারি গাড়িগুলির ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করছে নবান্ন। নতুন গাড়িগুলি এসে পৌঁছনোর পর কোন গাড়ি কোন মন্ত্রী বা আধিকারিককে বরাদ্দ করা হচ্ছে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার  তৈরি করা হবে। যেখানে গাড়ির নম্বর, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের নাম ও পদ এবং ব্যবহারের যাবতীয় তথ্য নিখুঁতভাবে নথিভুক্ত থাকবে। প্রশাসনিক সমন্বয় ও নিরাপত্তার স্বার্থে এই তথ্য শুধুমাত্র নবান্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন অনুযায়ী এই তথ্যভাণ্ডার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ , কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের সঙ্গেও ভাগ করে নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement