eaibanglai
Homeএই বাংলায়শিক্ষা দিয়ে বন্ধুকের দাপট থামিয়ে সফল সিআরপিএফ-এর 'মিশন কামিয়াব'

শিক্ষা দিয়ে বন্ধুকের দাপট থামিয়ে সফল সিআরপিএফ-এর ‘মিশন কামিয়াব’

স্বর্ণদীপ বাগ, ঝাড়গ্রামঃ– “গ্রামের সহজ সরল গরিব মানুষ গুলোকে হত্যা করবেন না। ওদের হাতে বই তুলে দিন, চাকরি দিন। তাহলে আর ওই হাতে বন্দুক উঠবে না।” এমনই পরামর্শ দিয়েছিলেন ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র এক বিশিষ্ট মানুষ। তার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় ১৫টা বছর। ঝাড়গ্রামের সেই ভূমিপুত্রের পরামর্শ কাজে ফলেছে। এখন আর বন্দুকের দরকার পরেনা। তার বদলে বই-খাতা হাতে এলাকার ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ বদলে ব্যাস্ত সিআরপিএফ। উদ্দেশ্য নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার না হোক অন্তত সঠিক প্রশিক্ষন দিয়ে একটা সরকারি চাকরির সুযোগ করে দেওয়া। আর প্রত্যন্ত এলাকার ছেলেমেয়েরা সেই সুযোগের সঠিক ব্যাবহার করছে।

সময়টা ২০০৮ সাল, ঝাড়গ্রাম তখন উত্তাল মাওবাদী আন্দোলনে। সেই পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে ঝাড়গ্রামে ডেপ্লয়েড করা হয় সিআরপিএফ এর ১৮৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানকে। তখন শুধু অপারেশন, এনকাউন্টার, আর এরিয়া ডমিনেশন। যদিও পরে আস্তে আস্তে বদলে যেতে থাকে ছবিটা। এলাকা ডমিনশনের বদলে এলাকার নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তোলার দিকে নজর ঘোরায় সিআরপিএফ। সিআরপিএফ এর ডিআইজি অপারেশন পশ্চিম মেদিনীপুর রেঞ্জ ডি.এস. গ্রেওয়াল জানালেন এখন মাওবাদী নেই। তাই অপারেশনের বদলে এখন “মিশন কামিয়াব”। অর্থাৎ নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে আর্থিকভাবে তাদের সাবলম্বী করে তোলা।

সিআরপিএফ এর কঠিন পরিশ্রমের পর অবশেষে সফলতা আসতে শুরু করেছে। এদিন ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজে এক অনুষ্ঠানে এরকমই সফল ৩৩জন কে সংবর্ধনা দিয়ে উৎসাহিত করা হয়। সাথে গাছ লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখার বার্তাও তুলে ধরা হয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments