এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

রাজ্যে প্রথম মেগা পর্যটন ইনভেস্টরস সামিট, আমন্ত্রিত ১০০ কোটির লগ্নিকারীরা

By Eaibanglai - September 25, 2026
— Advertisement —
Advertisement
রাজ্যে প্রথম মেগা পর্যটন ইনভেস্টরস সামিট, আমন্ত্রিত ১০০ কোটির লগ্নিকারীরা

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- বিশ্ব পর্যটন দিবসকে  পাখির চোখ করে রাজ্যের পর্যটন শিল্পে জোয়ার আনতে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার তাজ বেঙ্গলের ‘দ্য বেঙ্গল ক্রিস্টাল রুম’-এ রাজ্যে প্রথমবার বড় আকারে আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ 'পর্যটন ইনভেস্টরস সামিট'। রাজ্য সরকারের পর্যটন দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেগা সম্মেলন থেকেই রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রে একাধিক নতুন ও বড়সড় বিনিয়োগের বড় ঘোষণা হতে পারে বলে খবর। 

পর্যটন ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী ড. শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য দেশ-বিদেশের সেই সমস্ত বৃহৎ বিনিয়োগকারীদেরই বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের রাজ্যের পর্যটন শিল্পে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। জানা গিয়েছে, দেশীয় লগ্নিকারীদের পাশাপাশি অন্তত তিনজন বিদেশি বিনিয়োগকারীও এই বিজনেস কনফারেন্সে সশরীরে অংশ নিতে চলেছেন।

পর্যটন দফতরের মূল লক্ষ্য হলো, রাজ্যের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের বিপুল সম্ভাবনাকে পুঁজি করে বেসরকারি বিনিয়োগ টানা এবং তার মাধ্যমে রাজ্যে বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই প্রসঙ্গে পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের স্পষ্ট ভিশন—‘সম্ভাবনা থেকে বিনিয়োগ, এবং বিনিয়োগ থেকে কর্মসংস্থান’। তিনি জানান, পর্যটন ক্ষেত্রকে আগামী দিনে রাজ্যের অন্যতম প্রধান রাজস্ব আয় ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায় নতুন সরকার। সেই লক্ষ্যেই আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের এই বিশেষ সম্মেলনকে কার্যত ‘ইনভেস্টমেন্ট ডে সামিট’ হিসেবে পালন করবে পর্যটন দফতর।

বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, লগ্নিকারীদের উৎসাহিত করতে এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে নতুন পর্যটন প্রকল্পের পাশাপাশি ‘হোমস্টে ট্যুরিজম পলিসি’ ও ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি’-র সংস্কার ও সরলীকরণের কাজ চলছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র, ইকো-পার্ক, রিভার ক্রুজ বা নদী পর্যটন পরিকাঠামো এবং হেরিটেজ ট্যুরিজম প্রকল্পের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকারের আশা, ২৭ সেপ্টেম্বরের এই মেগা সামিটের হাত ধরে রাজ্যে নতুন জোয়ার আসবে, যা একই সাথে রাজস্ব বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে। 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement