সংবাদদাতা,সালানপুরঃ- রূপনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বেশি কার্যকর ছিল ‘অদৃশ্য ক্ষমতার’ অভিধান। ভোটে জয়ী হয়েছেন প্রধান অপর্ণা দাস, অথচ, অভিযোগ, - দপ্তরের চাবিকাঠি ছিল তাঁর স্বামীর হাতেই। গণতন্ত্রের মঞ্চে যেন দৃশ্যমান চরিত্র এক, আর নেপথ্যের পরিচালক আরেকজন। মঙ্গলবার সেই নেপথ্য নাটকের পর্দা টেনে ধরতেই কলার ধরে কার্যালয়ের বাইরে বের করে দেওয়া হলো অভিযুক্তকে। স্বজনপোষণ এবং সরকারি খাস জমি বেআইনি হস্তান্তরে পঞ্চায়েত থেকে ভুয়ো 'এনওসি' দেওয়ার প্রতিবাদে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় মহিলারা। জনরোষের ভাষা ছিল স্পষ্ট- পঞ্চায়েত ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, জনগণের প্রতিষ্ঠান।
শেষপর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত হয়। মৌখিক আশ্বাস মিলেছে, সরকারি কাজে আর প্রধানের স্বামীর হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়- যেখানে ক্ষমতার চেয়ার দৃশ্যত একজনের, অথচ কর্তৃত্ব অন্যজনের, সেখানে গণতন্ত্র কি সত্যিই বসে থাকে, নাকি শুধু তার নাম-ফলকটুকুই ঝুলে থাকে?