সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- আসানসোল কয়লা খনি এলাকার বহু অঞ্চলই ধস প্রবন হিসেবে পরিচিত। এইসব এলাকাগুলিতে প্রায়ই ধসের ঘটনা ঘটে। গত রবিবার ফের ধসের কবলে পড়ে সালানপুর ব্লকের সামডি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। ধসের জেরে সামডি গ্রামের প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন ‘ল হাট’ কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ফাটল তৈরি হয় ও বসে যায়। মন্দিরের পাশেই রয়েছে শ্মশান ঘাট। ধসের ফলে সেই এলাকাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন সামডির গ্রামবাসীরা। পুনর্বাসন ও নিরাপত্তার দাবিতে সোমবার ইসিএলের কয়লা খনির উৎপাদন ও পরিবহণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই সামডির বিস্তীর্ণ এলাকা ধসপ্রবণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবারের ঘটনার পর তারা আতঙ্কে ভুগছেন। বাসিন্দাদের দাবি, যে কোনো মুহূর্তে বড়সড় বিপর্যয় ঘটে প্রাণহানি হতে পারে।
এদিন গ্রামবাসীদের বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় তৃণমূল নেতা জনার্ধন মণ্ডল। তিনি বলেন, “এর আগে একাধিকবার ইসিএল আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছিলো। কর্তৃপক্ষ বারবার পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। ৩০০ বছরের পুরনো মন্দির এবং শ্মশান ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্রামবাসীদের আবেগ ও নিরাপত্তা, দুই আজ সংকটে।”
অন্যদিকে ধসের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ ও বিক্ষোভের জেরে এলাকায় উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়, গোটা বিষয়টি নিয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


















