eaibanglai
Homeএই বাংলায়বাঁকুড়ার একাধিক জায়গায় অবৈধ বালি কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান

বাঁকুড়ার একাধিক জায়গায় অবৈধ বালি কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান

সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- বাঁকুড়া জেলার বালিঘাটগুলি থেকে অবৈধ বালি পাচারের অভিযোগ বহুদিনের। অভিযোগ বিগত শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস নেতারদের মদতে আবাধে চলত অবৈধ বালি পাচার কারবার। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যে কোনরকম দুর্নীতি ও বেআইনি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। সেই মতো পদক্ষেপ করতে পুলিশ প্রশাসনকেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই আবহে বাঁকুড়ার একাধিক জায়গায় অবৈধ বালি পাচার রুখতে তৎপরতা দেখা গেল। কোথাও অভিযান চালিয়ে বালিগাড়ি আটক করল পুলিশ আবার কোথাও বিধায়কের নেতৃত্বে বালিঘাটে অভিযানে বাজেয়াপ্ত করা হল একাধিক যন্ত্র।

বুধবার ওভারলোড বালি পরিবহণ রুখতে বিশেষ অভিযান চালায় বাঁকুড়া জেলা পুলিশের গঙ্গাজলঘাটি থানা। বড়জোড়া–দুর্লভপুর রাজ্য সড়ক থেকে আটক করা হয় সাতটি ওভারলোড বালি গাড়ি।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই গাড়িতে অতিরিক্ত বালি পাচারের অভিযোগ উঠছিল এলাকায়। এর ফলে যেমন রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। ফলে পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন।

গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ জানিয়েছে, আটক গাড়িগুলির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আগামী দিনেও ওভারলোড পরিবহণের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অন্যদিকে মঙ্গলবার রাতে বাঁকুড়ার ছাতনা থানার কাঁকি গ্রামে ছাতনার বিজেপি বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখার্জীর নেতৃত্বে চলে অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান।

স্থানীয় বিডিও, বিএলআরও ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে অবৈধ বালি ঘাটে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পুলিশ দুটি পোগলান মেশিন, একটি জেসিবি, একটি ট্রাক্টর, একটি মোটরবাইক, একটি ল্যাপটপ এবং নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করে।

বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখার্জীর বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অবৈধ বালি ঘাটের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মতো, গ্রামবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনও অবৈধ বালি ঘাট চলতে দেওয়া হবে না।”

অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখের সামনে অবৈধ বালি উত্তোলন চললেও তা বন্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। বিডিও, বিএলআরও ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি তৃণমূল ও একশ্রেণির দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনিক আধিকারিকদের যোগসাযোশে এই অবৈধ কারবার চলিছিল। অবশেষে বিধায়কের এই উদ্যোগে খুশি প্রকাশ করেন তারা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments