eaibanglai
Homeএই বাংলায়জঙ্গলে হারিয়েছে উন্নয়নের পাকা রাস্তা, চরম দুর্নীতির অভিযোগ

জঙ্গলে হারিয়েছে উন্নয়নের পাকা রাস্তা, চরম দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- রাজ্যে পালা বদের পর বিগত সরকারের একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে। এরই মধ্যে পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসা ব্লকে আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকায় রাস্তা তৈরিতে চরম দুর্নীতি নিয়ে সরব হল স্থানীয়রা। অভিযোগ দুই গ্রামকে জুড়তে ৩৪ লক্ষের রাস্তা কোন গন্তব্যে পৌঁছয়নি, হারিয়ে গেছে জঙ্গলে। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও।

কাঁকসার গড় জঙ্গলের ভেতর আলিনগর আদিবাসী পাড়া থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ফরেসডাঙা আদিবাসী পাড়া। দুই গ্রামের যোগাযোগের জন্য পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যায় করে তৈরি হয় পাকা রাস্তা । কিন্তু সেই রাস্তা ধরে গন্তব্যে পৌঁছতে গেলে মাঝ জঙ্গলেই থমকে যেতে হবে। একদিকে সরকারি বোর্ডে দাবি আলিনগর আদিবাসী পাড়া থেকে ফরেসডাঙা আদিবাসী পাড়াকে যুক্ত করেছে এই রাস্তা। কিন্তু বাস্তবে রাস্তা গিয়ে শেষ হয়েছে গভীর জঙ্গলের মধ্যে। এই রাস্তা ধরে পথচারীরা গেলে মাঝ জঙ্গলে গিয়ে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়বেন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, উন্নয়নের নামে কি শুধুই পকেটে টাকা ঢুকছে। সরকারি প্রকল্পের রাস্তা যদি দুই গ্রামের সংযোগের জন্য হয়, তবে তা মাঝপথে থেমে গেল কেন? পরিকল্পনার গাফিলতি, নাকি উন্নয়নের টাকার বড় অংশই তৃণমূল নেতাদের খাতে চলে গেল?

পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী অধিকার মঞ্চের সদস্য গোপীনাথ মুর্মু বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম আদিবাসী এলাকায় উন্নয়ন হবে। কিন্তু এই রাস্তা দেখলেই বোঝা যায় উন্নয়ন কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আদিবাসীদের উন্নয়নের নামে মাঝ জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পাকা রাস্তা নির্মাণের নামেও দুর্নীতি হয়েছে।”

অন্যদিকে বিষয়টি হাতিয়াড় করে সরব হয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পনাবিহীন উন্নয়ন করেছে বলে কটাক্ষ করেছেন এলাকার বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,”মানুষ এখন বুঝতে পারছে তৃণমূল সরকার কীভাবে উন্নয়নের টাকা লুট করেছে। নির্বাচনের আগে নারকেল ফাটিয়ে পরিকল্পনাহীনভাবে কাজ শুরু হয়েছিল। এই ঘটনার তদন্ত হবে। যারা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাদের শাস্তি পেতেই হবে।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments