সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ দিবস। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর দল ইতিমধ্যেই ভেঙে গেছে তৃণমূল দল। তাই এবছর একুশের শহীদ দিবসও অন্যরকম হতে চলেছে ভাঙনের তৃণমূলের । শহীদ দিবসের সভা কোথায় হবে তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলার পর বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলকে শহিদ স্মরণ কর্মসূচি করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। ২ হাজার ৫০০ কর্মীকে নিয়ে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২১ জুলাই নতুন করে পথচলা হবে। নেত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব। সেই মতো শনিবার বাঁকুড়ার জেলা তৃণমূল ভবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি সভা করলেন দুই তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র।
সভায় দুই সাংসদই ব্লক ও অঞ্চল স্তরের সংগঠনকে আরও মজবুত করার নির্দেশ দেন। একুশে জুলাই সমাবেশে বাঁকুড়ার উপস্থিতি যাতে নজরকাড়া হয়, সেই বিষয়ে বুথ ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, সেই বিষয়ে দিকনির্দেশ করেন দুই সাংসদ।
এদিনের সভায় দুই শীর্ষ সাংসদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া জেলার সমস্ত স্তরের স্থানীয় নেতৃত্ব ও ব্লক সভাপতিরা। অনেক দিন পরে এই সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় ভোটে পরাজয়ের পর কোনঠাসা হয়ে যাওয়া তৃণমূল দলীয় কর্মীদের মধ্যে।


















