নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ– বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠনের পরই পুলিশ প্রশাসনকে বিভিন্ন অসামাজিক, অনৈতিক ও অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার সেই নির্দেশের জেরে তৎপরতা শুরু হয়েছে প্রশাসনে। জেলায় জেলায় অবৈধ কারবার ও দুষ্কৃতী কর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ, চলছে ধরপাকড়। এই আবহে অন্য ছবি উঠে এসেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর মহকুমার অন্ডালে। চোরাই তেল পাচার রুখতে গিয়ে তাকে ওসির হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অন্ডাল থানার এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি বিষয়টি তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্রিমিত্রা পালকেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগকারী অন্ডাল থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর সুপ্রিয়া মুখোপাধ্যায় জানান, দিন দুয়েক আগে রাতের ডিউটিতে পেট্রোলিং করার সময় সন্দেহ হওয়ায় একটি গাড়িকে আটক করে দেখেন, গাড়িতে করে অবৈধভাবে ডিজেল পাচার হচ্ছে। গাড়িতে ৫০ লিটারের ১১টি কন্টেনারে ডিজেল থাকলেও ওই ডিজেল সংক্রান্ত বৈধ কোন নথি দিতে পারেনি গাড়ির চালক। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় এই তেল কারবারের মালিক মুন্না সিং এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মুন্না সিং ঘটনাস্থলে পৌঁছন এবং তিনি দাবি করেন থানার বড়বাবুর অনুমতিতেই এই কারবার চলছে। এমনকি এই অবৈধ কারবারের জন্য তাকে নিয়মিত মাসোহারা দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন মুন্না। এই পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করান এএসআই।
সুপ্রিয়া মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ওই ভিডিও অন্ডাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেখার পর থেকেই তাকে হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। তাকে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মতো হেল্প ডেক্সে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে কি এখনও প্রশাসনের ওপর থেকে মুছে যায়নি তৃণমূল জমানার অসামাজিক কার্যকলাপের দাগ ? এই ঘটনা সামনে আসায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ফির প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



















