জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, বাঁকুড়া -: ”ভালবাসা দিয়েও ভালোবাসা পায়নি / যাদের আপন ভেবেছি তারা কেউ আপন হয়নি”— এক বুক অভিমান আর জীবনের রূঢ় বাস্তবতাকে গানের পাতায় ফুটিয়ে তুলেছেন বাঁকুড়ার বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার সমীর পণ্ডিত। তবে এবারের বিশেষত্ব কেবল গানে নয়, বরং এক নতুন প্রতিভার আত্মপ্রকাশে। সমীর পণ্ডিতের হাত ধরে সঙ্গীত জগতে পথ চলা শুরু করতে চলেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের মেয়ে অনুদিপা চক্রবর্তী।
দীর্ঘদিন ধরেই বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের বাসিন্দা সমীর পণ্ডিত তাঁর লেখনী ও সুরের জাদু দিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। এবার তাঁরই সুযোগ্য তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছে একটি ভিন্নধর্মী আধুনিক গান। জীবনের গান, ব্যর্থ প্রেম আর আপনজনের থেকে পাওয়া অবহেলার কাহিনী ফুটে উঠেছে এই গানের ছত্রে ছত্রে।
শিল্পী অনুদিপা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এটি তাঁর জীবনের প্রথম স্টুডিও রেকর্ডিং। কোলাঘাটের বাসিন্দা হলেও সঙ্গীতের টানেই সমীরবাবুর সংস্পর্শে আসা। গানটি প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত অনুদিপা বলেন, ”প্রথমবার স্টুডিওতে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সমীর স্যারের লেখা ও সুর অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী। আমি খুব আশাবাদী যে সাধারণ মানুষ গানটি শুনবেন এবং ভালোবাসা দেবেন।”
গানটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন অনুপম পাল। সুরের বিন্যাস ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার গানটিকে আরও শ্রুতিমধুর করে তুলেছে। সমগ্র প্রজেক্টটি প্রযোজনা করেছে ‘রাতপাখি মিউজিক্যাল জার্নি গ্রুপ’। আগামী ১০ মে বিভিন্ন অডিও প্ল্যাটফর্ম এবং মিউজিক কোম্পানিতে গানটি একযোগে রিলিজ হতে চলেছে। নতুন শিল্পীর কন্ঠ আর অভিজ্ঞ গীতিকারের মেলবন্ধন বর্তমান সময়ের বাংলা গানের জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছে শিল্পী মহল। এখন অপেক্ষা কেবল ১০ তারিখের, যখন শ্রোতারা শুনতে পাবেন জীবনের এই নতুন গান।



















