eaibanglai
Homeএই বাংলায়গণনার আগে কোথায় হালকা মেজাজে প্রার্থী আবার কোথাও লুডু খেলায় ব্যস্ত

গণনার আগে কোথায় হালকা মেজাজে প্রার্থী আবার কোথাও লুডু খেলায় ব্যস্ত

সংবাদদাতা,দুর্গাপুর ও বাঁকুড়াঃ- রাত পোহালেই শুরু হবে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। আশা করা যাচ্ছে আগামীকাল বেলা বারোটার মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার মসনদে কারা সরকার গঠন করতে চলেছে, তৃণমূল কংগ্রেস নাকি বিজেপি।

এদিকে ভোট মিটলেও স্বস্তি নেই প্রার্থীদের। গণনা শুরুর আগে ইভিএম-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য সব রাজনৈতিক দলের। যেখানে ইভিএম-এর কারচুপির আশাঙ্কায় রাজ্য জুড়ে চলছে রাজতৈনিক তরজা।

দুর্গাপুর মহাবিদ্যালয়ে আপাতত কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সংরক্ষিত রয়েছে তিনটি বিধানসভার ইভিএম। ডিসিআরসি কক্ষে ভোটযন্ত্রগুলিকে রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ান ও রাজ্য পুলিশের নজরদারিতে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মীরাও নজর রাখছেন।

এরই মধ্যে রবিবার দুপুরে তৃণমূলের ট্রেন্ডিং ক্যাম্পে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেল দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী প্রদীপ মজুমদারকে। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদ। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে তাঁরা ভোট গণনা ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আলোচনা করেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রদীপবাবু দাবি করেন এবার তৃণমূল কংগ্রেস ২০০-র বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করবে এবং চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠন করবে।

অন্যদিকে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রং রুমকেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ঘিরে রাখা হয়েছে। ওন্দা, বড়জোড়া, বাঁকুড়া, ছাতনা ও শালতোড়া— এই পাঁচ কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে এই স্ট্রং রুমে। কিন্তু তা সত্ত্বেও স্ট্রং রুমে কড়া নজর রাখছে রাজনৈতিক দলগুলি। শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরী থেকে শুরু করে তৃণমূলের উত্তম বাউরী— প্রত্যেকেই পালা করে স্ট্রং রুমের সামনে পাহারায় বসছেন। কেউ চড়া রোদে স্ট্রং রুমের গেটের সামনে সশরীরে হাজির থাকছেন, আবার কেউ ক্যাম্প অফিসে বসে সিসিটিভি স্ক্রিনে একনাগাড়ে নজর রাখছেন।

তবে এই উৎকণ্ঠার আবহেও ধরা পড়ছে কিছুটা হালকা মেজাজের ছবি। স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার ফাঁকেই সময় কাটাতে বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তারাশঙ্কর রায় এবং বাঁকুড়া বিধানসভার প্রার্থী ডাঃ অনুপ মন্ডলকে দেখা গেল দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লুডু খেলায় মেতে উঠতে। ঘুঁটির চালের সাথে সাথেই চলছে রাজনৈতিক আলোচনা এবং আগামী দিনের রণকৌশল নির্ধারণ।

সব মিলিয়ে, এখন ৪ তারিখের সূর্যোদয়ের আশায়া দিন কাটাচ্ছেন সকলে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments