eaibanglai
Homeএই বাংলায়"সব দুঃখ ভুলে প্রাণ ভরে হাসুন" হাসি দিবসে বার্তা

“সব দুঃখ ভুলে প্রাণ ভরে হাসুন” হাসি দিবসে বার্তা

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- জীবনে দুঃখ কষ্ট কার নেই! মানুষ জন্ম মানেই সুখ দুঃখের দোলাচল। দুঃখের ভারে জীবনটাকে ভারি না করে হাসি দিয়ে সব উড়িয়ে দিয়ে হালকা ভাবে বাঁচাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই সব দুঃখ ভুলে প্রাণ ভরে হাসার বার্তা বিশ্ব হাসি দিবসে।

স্বাস্থ্যবিদদের মতো হাসি স্ট্রেস কমায়, এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। হাসির এই উপকারিতার কথা মাথায় রেখে ডঃ মদন কাটারিয়া বিশ্বব্যাপী হাস্যযোগ আন্দোলন গড়ে তোলেন। ফেসিয়াল ফিডব্যাক হাইপোথিসিস দ্বারা তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে “লাফটার যোগ” আন্দোলন আরম্ভ করেছিলেন এবং ১৯৯৮ সালের ১০ মে মুম্বইতে প্রথমবার হাসি দিবস উদ্‌যাপন করেন। ফেসিয়াল ফিডব্যাক হাইপোথিসিস ধারণা অনুসারে, একজন মানুষের মুখের অভিব্যক্তি তার আবেগকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশ্ব হাসি দিবসের উদ্দেশ্য হল হাসির মাধ্যমে সৌভ্রাতৃত্ব এবং বন্ধুত্বের বিশ্বজনীন সচেতনতা সৃষ্টি করা।

বিশ্বজুড়ে হাসি যোগ ব্যায়াম, জোকস শোনার আসর, এবং শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই দিনটি পালিত হয়। দুর্গাপুরে এই দিনটি পালিত হল সিটি সেন্টারের চতুরঙ্গ ময়দানে সমাজসেবী প্রণয় রায় এর উদ্যোগে একজোট হয়ে প্রাণ খুলে হাসির মাধ্যমে। উদযাপনে অংশ নেন বিভিন্ন বয়সের মানুষজন। হাস্যযোগ, দলবদ্ধ হাসির অনুশীলন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সচেতনতামূলক বার্তার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। এদিন গোটা ময়দান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ, উচ্ছ্বাসের আবহ।

বর্তমান সময়ে কাজের চাপ, উদ্বেগ এবং মানসিক অবসাদ মানুষের জীবনে ক্রমশ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে হাসিই হতে পারে সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়। তাই মানুষকে কিছুটা আনন্দ দেওয়া এবং ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments