সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- বেশ কিছু রাশিদের ইতিমধ্যেই সাড়েসাতির অন্তিম পর্যায় চলছে আর বেশ কিছু রাশি চক্রে দেখা যাচ্ছে সাড়েসাতি শুরু হয়েছে। এখন শনিদেবের সাড়েসাতি শুনলেই আমাদের একটা ভয় ধরে, কিন্তু আমরা যদি সৎকর্ম করি, দরিদ্রকে নারায়ণ জ্ঞানে সেবা করি ও নিজেদের মধ্যে অহংকার নিয়ে না আসি তাহলে শনিদেব যিনি ন্যায়ের অধীশ পরিচিত তিনি আমাদের জন্য এতটা কঠোর হবেন না... তাঁর সাড়ে সাতি আসলে আমাদের শিক্ষা দেওয়ার একটা অধ্যায়। কিন্তু আমরা সর্ব অবস্থায় অহংকার মুক্ত কীভাবে থাকবো? মানুষ কি যে কোন অবস্থাকে তার ইচ্ছাধীন বলে বাঁচতে পারে? সুখ এলে আমরা ভাবি ভগবান দিয়েছেন কিন্তু দুঃখ এলে তার কথা ভুলে যাই। কীভাবে আমরা জীবন ধারণ করব এই প্রসঙ্গে সারদানন্দজির একটি কথা বিশেষ ভাবে মনে রাখা উচিত।
শ্রীমৎ স্বামী সারদানন্দজী মহারাজ বলেছেন,“ঠাকুর তোমায় আপন করে নিচ্ছেন, তোমার মধ্যে এতটুকু অহঙ্কারও তিনি রাখবেন না। যে দুঃখ-বিপদের মধ্যে দিয়ে তুমি যাচ্ছ তা কেবল এই উপলব্ধি করানোর জন্য যে, তোমার স্বাধীন ইচ্ছা বলে কিছু নেই। সবই তাতে সমর্পিত হয়েছে। সুতরাং তিনি যা করেন ও তোমায় যেখানে রাখেন তাতেই সন্তুষ্ট থাকো। কোনো সংশয় মনে জাগতে দিও না। মনে যখনই সংশয় জাগবে তখনই ঠাকুরের চিন্তা করবে, আর নিজেকে বোঝাবে যে, তার ইচ্ছায় যা-কিছু হচ্ছে তা তোমার ভালোর জন্যই হচ্ছে। যা ঘটছে তা তারই নির্দেশে ঘটছে, তিনি চাইলে অবস্থার পরিবর্তন হবে। এইটি ধারণা করে নিজেকে তাঁর চরণে সঁপে দাও, আর খুশি ও নিরুদ্বেগ থাক।”