দক্ষিণ বাংলা

“নেতা মন্ত্রীদের অহংকারেই ডুবল দল”, বিস্ফোরক তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক

By Eaibanglai - May 11, 2026
— Advertisement —
Advertisement
“নেতা মন্ত্রীদের অহংকারেই ডুবল দল”, বিস্ফোরক তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক

সন্তোষ কুমার মম্ডল,আসানসোলঃ- রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০৭টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এদিকে এই নির্বাচনে একশোর ঘরেও পৌঁছতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। ১৫ বছর শাসন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূলের এই হার নিয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন স্তরে পর্য়বেক্ষন। এদিকে দলের এই হার নিয়ে মুখ খুলছেন দলেরই অনেক নেতা নেত্রী। এবার দলের এই ভারডুবির জন্য দলের একাংশ নেতা মন্ত্রীদের দায়ী করে মুখ খুললেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন ওরফে দাসু।

তার বক্তব্যে দাসু বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা অহংকারী হয়ে উঠেছিলেন। আর এই ধরনের নেতাদের কারণেই দল আজ এই পরিস্থিতির সম্মুখীন। সম্প্রতি দলের কিছু নেতা ক্ষমতা পেয়ে অহংকারী হয়ে উঠেছিলেন। সেই অহঙ্কার মানুষ ভালোভাবে নেননি। মানুষের সঙ্গে এইসব নেতারা ভালোভাবে কথা বলেননি। মানুষই ভোটার। সেই ভোটারেরা একটা সময় তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলেন। এবার তারা আর তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। সব নেতাদের মনে রাখা উচিত ছিলো, যেখানে রাবণের অহংকারও টেকেনি, সেখানে এদের অহঙ্কার কি করে টিকবে।”

তিনি আরও বলেন, “আসানসোলের বস্তিন বাজার দুর্গা মন্দিরের মতো ইস্যু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতেন না! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতেনই যে, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরে এই মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। আসল কথা হলো, এইসব নেতা ও জনপ্রতিনিধিরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে দলকে বদনাম করেছে। আমি নিশ্চিত যে এইসব নেতারা তৃণমূল কংগ্রেসে আর থাকবে না।” এমনকি তিনি বিজেপিকে সতর্ক করে দিয়ে এও বলেন যে, “বিজেপি ক্ষমতায় আসায় এরা সেই দলে যোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন। সেইসব দলত্যাগীদের যদি জায়গা দেওয়া হয়, তাহলে তাদের ভবিষ্যৎও এই রকম হবে।”

তবে এই নেতা মন্ত্রীদের নাম না করলেও তিনি যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মলয় ঘটক ও জনপ্রতিনিধিদেরই দায়ী করছেন, এমনটাই মনে করছেন রীজনৈতিকভাবে ওয়াকিবহাল মানুষজন।

অন্যদিকে দাসু এও দাবি করেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সারাজীবন মানুষের মধ্যে থেকে রাজনীতি করেছেন এবং জীবনযাপন করেছেন, মানুষ আবারও তাঁর দলের ওপর আস্থা রাখবেন।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement