দক্ষিণ বাংলা

তৃণমূলের পঞ্চায়েত দখলের দাবি মুখ থুবড়ে পড়ল বিষ্ণুপুরে

By Eaibanglai - September 17, 2025
— Advertisement —
Advertisement
তৃণমূলের পঞ্চায়েত দখলের দাবি মুখ থুবড়ে পড়ল বিষ্ণুপুরে

সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- তৃণমূলের পঞ্চায়েত দখলের দবি মুখ থুবড়ে পড়ল বিষ্ণুপুরে। গত ১০ সেপ্টেম্বর বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে জেলার সভাপতি সুব্রত দত্তর হাত ধরে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তারাপদ পাল ও গণেশ মল্লকে নিয়ে তৃণমূল দাবি করেছিল চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েত ফের তাদের দখলে। বিজেপির দখল করা বোর্ড তারা ফিরে পেয়েছে বলেই প্রচার চালায় শাসকদল। কিন্তু ছবিটা উল্টে যায় কিছু সময়েই। ওইদিন রাতেই ফের বিজেপির পতাকা হাতে ‘ঘরে ফেরেন’ বিজেপি সদস্য গণেশ মল্ল। তার কয়েকদিন পর গতকাল রাতে বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখার হাত ধরে ফের দলে ফিরলেন তারাপদ পাল।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩টি আসনের মধ্যে ৭টিতে জয় পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে বোর্ড গঠন করেছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৪টি, সিপিএম ১টি ও আইএসএফ ১টি আসন। পরে সিপিএমের এক সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন, ফলে তৃণমূলের আসন বেড়ে দাঁড়ায় ৫-এ। ১০ সেপ্টেম্বর ২ জন বিজেপি সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়ে আবার বিজেপিতে ফিরে আসায় ফের ৭ জন সদস্য নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ফিরল বিজেপি। আবারও চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলেই রইল।

বিজেপিতে ফিরে এসে সদস্যরা অভিযোগ করেন,চাকরির প্রলোভন, ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদের তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই সোনামুখী বিধানসভায় মানিকবাজারের বিজেপি সদস্য শ্যামলী লোহারও একইভাবে তৃণমূলে যোগ দিলেও পরে ফের বিজেপিতে ফিরে আসেন। এখন পর্যন্ত বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় তৃণমূল পাঁচজন বিজেপি সদস্যকে দলে টেনেছিল, তার মধ্যে তিনজন এক সপ্তাহের মধ্যে বিজেপিতে ফিরে এসেছেন।

বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব তথা বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখার দাবি, যোগদান নাটকের নামে বারবার অপমানিত হচ্ছে তৃণমূল নিজেই। স্থানীয় স্তরে তৃণমূলের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। তৃণমূলের রাজনীতি আসলে দখল, জোরজবরদস্তি আর ভয়ের উপর দাঁড়িয়ে।

যদিও ওন্দা ব্লকের তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিট পাল্টা দাবি করেছেন, বিজেপির বিধায়ক অমরনাথ শাখা জোর করে ওই সদস্যদের তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করিয়েছেন। বিজেপিতে থেকে কোনও কাজ করতে না পারায় বিজেপি সদস্যরা নিজেরা স্বেচ্ছায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।

২০২৬ বিধানসভা যত ঘনিয়ে আসছে, ততই শুরু হয়েছে শাসক ও বিরোধী দলে, দলবদলের হিড়িক। তবে বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের চিঙ্গানী অঞ্চলে তৃণমূলের ‘দলবদল খেলা’ শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়ল।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement