এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

লরির ধাক্কায় রক্তাক্ত বৃদ্ধ, দেন্দুয়ায় দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধ

By Eaibanglai - August 08, 2026
— Advertisement —
Advertisement
লরির ধাক্কায় রক্তাক্ত বৃদ্ধ, দেন্দুয়ায় দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধ

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- বেপরোয়া মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর জখম হলেন এক বৃদ্ধ পথচারী। শনিবার আসানসোলের সালানপুর থানার চিত্তরঞ্জন-আসানসোল রোডের ব্যস্ততম দেন্দুয়া মোড়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে এবং "নো এন্ট্রি" প্রত্যাহারের ক্ষোভে দুর্ঘটনার পরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। দফায় দফায় পথ অবরোধ ও বিক্ষোভে শামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহত বৃদ্ধের নাম করুণাময় দে (৭০)। তিনি দেন্দুয়ারই বাসিন্দা। এদিন ডাবর মোড়ের দিক থেকে একটি মালবাহী ট্রাক এসে দেন্দুয়া মোড়ে কল্যাণেশ্বরীর দিকে ডানদিকে মোড় নিচ্ছিল। সেই সময় রাস্তা পার হচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধ। বেপরোয়া ট্রাকটি তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মারে এবং সামনের চাকাটি তাঁর শরীরের ওপর দিয়ে চলে যায়। এর ফলে তাঁর কোমর থেকে ডান পায়ের পাতা পর্যন্ত অংশ মারাত্মকভাবে জখম ও থেঁতলে যায় বৃদ্ধের।

প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও পুলিশের গাড়ি বা অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত একটি ইসিএল -এর গাড়িতে করে তাঁকে দ্রুত আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অন্যদিকে ঘাতক ট্রাকটিকে আটকে রেখে শুরু হয় বাসিন্দাদের তুমুল বিক্ষোভ। উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করায় চিত্তরঞ্জন-আসানসোল রোডে সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল। তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, দেন্দুয়া মোড়ে লাগাতার যানজট এবং রাস্তার ওপর ইসিএলের পরিবহন গাড়িগুলি দাঁড়িয়ে থাকার কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। আগে এখানে ভারী গাড়ির জন্য "নো এন্ট্রি"র নিয়ম ছিল। কিন্তু গত তিন মাস ধরে ইসিএল কর্তৃপক্ষ সেই "নো এন্ট্রি" তুলে নেওয়ায় দিন-রাত বেপরোয়া গাড়ি চলছে।

প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে অবরোধ। অবশেষে সালানপুর থানার পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের তরফে আহত বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস মেলায় বাসিন্দারা অবরোধ তুলে নেন।


 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement