এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

৫০ থেকে ১০০ বছর পিছিয়ে গেছে রাজ্য, লক্ষ্য শুধুই উন্নয়ন: তৃণমূলকে কটাক্ষ করে দুর্গাপুরে বার্তা মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের

By Eaibanglai - September 19, 2026
— Advertisement —
Advertisement
৫০ থেকে ১০০ বছর পিছিয়ে গেছে রাজ্য, লক্ষ্য শুধুই উন্নয়ন: তৃণমূলকে কটাক্ষ করে দুর্গাপুরে বার্তা মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- "বিগত সরকারের আমলে রাজ্য প্রায় ৫০ থেকে ১০০ বছর পিছিয়ে গেছে। তাই আমাদের একমাত্র এবং প্রধান লক্ষ্য হলো শুধুই উন্নয়ন।" শুক্রবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুরে আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের (ADDA) ভবনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে এভাবেই তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

শিল্পাঞ্চলের সামগ্রিক পরিকাঠামো ও আধুনিকীকরণ নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় একটি জোরালো ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে একাধিক বড় উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিষয়ে সবিস্তার আলোচনা করা হয়।

এদিনের উচ্চপর্যায়ের এই প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস, বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘরুই, জিতেন্দ্র তিওয়ারি এবং অরিজিৎ রায় সহ জেলা ও প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও শিল্পায়নের কারণে আগামী ৩০ বছরে আসানসোল ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে গাড়ির সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। সেই সুদূরপ্রসারী ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ট্রাফিক পরিকাঠামো কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে এখন থেকেই ছক কষছে দপ্তর। বৈঠক শেষে মন্ত্রী বলেন, "আগামী ৩০ বছর পর এই শিল্পাঞ্চলে গাড়ির চাপ অনেকটাই বাড়বে। সেখানে আগামী দিনে কেমন ট্রাফিক ব্যবস্থা দরকার এবং কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হবে, সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েও আমরা আজ বিস্তারিত বৈঠক করলাম।" 

উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি দুর্গাপুরের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি জমি দখল করে গজিয়ে ওঠা একাধিক অবৈধ নির্মাণ এবং বহুতল ভবন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এদিনের বৈঠক থেকে। সরকারি জমি জবরদখল মুক্ত করতে এবং নিয়মের তোয়াক্কা না করে তৈরি হওয়া বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসন যে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে, বৈঠকে সেই বিষয়েও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে।

সব মিলিয়ে, শিল্পাঞ্চলকে আধুনিক রূপ দিতে এবং পরিকাঠামোর খোলনলচে বদলে ফেলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement