এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

জলাশয়ে বিষ মেশানোর অভিযোগ: মরে ভেসে উঠল লাখ টাকার মাছ,

By Eaibanglai - October 08, 2026
— Advertisement —
Advertisement
জলাশয়ে বিষ মেশানোর অভিযোগ: মরে ভেসে উঠল লাখ টাকার মাছ,

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,দুর্গাপুরঃ- দুর্গাপুরের নিউ টাউনশিপ থানা  এলাকার পোদ্মার পুকুর লোকালয়ে এক চরম উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্য এল। এলাকার অত্যন্ত প্রাচীন একটি জলাশয়ে রাতের অন্ধকারে বিষ বা কোনো মারাত্মক রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই পুকুরে  ছোট-বড় মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। মরা মাছ পচে গোটা এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যার জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পোদ্মার পুকুরটি ওই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়। এলাকার বহু মানুষ প্রাত্যহিক স্নান ও ধোয়া-মোছার কাজের জন্য এই জলের ওপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী ও পরিযায়ী পাখিরাও নিয়মিত এই জলাশয়ে জল পান করতে আসে বলে স্থানীয়দের দাবি। ফলে এমন একটি জনবহুল ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পুকুরে বিষক্রিয়ার কারণে মাছ মরে যাওয়ার ঘটনায় শুধু জনস্বাস্থ্যই নয়, বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষাও বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার সাতসকালে স্থানীয় মানুষ পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখেন, জলের ওপর শয়ে শয়ে মাছ মরে ভাসছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পচন শুরু হওয়ায় এলাকা জুড়ে তীব্র দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় জোরদার রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সরাসরি নাম না করে তৃণমূলসহ বিরোধী শিবিরের দিকে আঙুল তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় বিজেপির বুথ সভাপতি বাপ্পা গরাই। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই জলাশয়টি এলাকার মানুষের নানান সামাজিক ও গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত হয়। হঠাৎ করে পুজোর ঠিক আগে পুরনো কমিটি কয়েকদিন ধরে বড় বড় মাছ ধরে নেওয়ার পর, কোনো কুৎসিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা আক্রোশবশত জলে ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই আজ সমস্ত মাছ ভেসে উঠেছে। আমরা পুলিশকে লিখিতভাবে জানিয়েছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুকুরের জলের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে, যাতে স্পষ্ট হওয়া যায় ঠিক কী ধরনের রাসায়নিক মেশানো হয়েছিল।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement