এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

মাঝ জঙ্গলে উদ্ধার ৪টি নরকঙ্কাল! কাঁকসার মলানদিঘীতে ঘনীভূত রহস্য, তদন্তে পুলিশ

By Eaibanglai - September 10, 2026
— Advertisement —
Advertisement
মাঝ জঙ্গলে উদ্ধার ৪টি নরকঙ্কাল! কাঁকসার মলানদিঘীতে ঘনীভূত রহস্য, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর মহকুমার কাঁকসা থানা এলাকার মলানদিঘীর জাঠগড়িয়া মোড় সংলগ্ন গভীর জঙ্গল থেকে একসঙ্গে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দারা জঙ্গলের মধ্যে কঙ্কালগুলি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়া মাত্রই কাঁকসা থানার একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা দ্রুত এলাকাটি কর্ডন বা ঘিরে ফেলে এবং নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া মেনে কঙ্কালগুলি উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পুলিশ ও তদন্তকারী দল আশেপাশের এলাকাতেও জোরদার তল্লাশি চালায়। তবে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলি ঠিক কোথা থেকে এল, কতদিন ধরে সেখানে পড়েছিল কিংবা কীভাবে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছিল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। মৃতদের পরিচয় এবং মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও বড়সড় অপরাধমূলক চক্রান্ত রয়েছে কি না, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট।

এই বিষয়ে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটিসিশনার (পূর্ব) রাসপ্রিত সিং জানান, “চারটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে সেগুলি মানুষের কঙ্কাল বলেই চিহ্নিত করা গেছে। ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই বিস্তারিতভাবে জানা যাবে কঙ্কালগুলি কার এবং সেগুলির সঙ্গে কোনও নির্দিষ্ট নিখোঁজ ব্যক্তির যোগসূত্র রয়েছে কি না। কীভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।”

পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলির মধ্যে একটি শিশুর কঙ্কালও রয়েছে। এদিকে স্থানীয় স্তরে গুঞ্জন, পার্শ্ববর্তী বুদবুদ থানার দেবশালা পঞ্চায়েতের পদুমা গ্রামের একটি নিখোঁজ সাঁওতাল পরিবারের চার সদস্যের সঙ্গে এই কঙ্কালগুলির মিল থাকতে পারে। ওই পরিবারের চারজন গত আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন এবং থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছিল। তবে ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিতভাবে কিছু জানাচ্ছে না।

একসঙ্গে একটি শিশুসহ চার জনের কঙ্কাল উদ্ধারের এই হাড়হিম করা ঘটনায় গোটা মলানদিঘী এলাকা জুড়ে তীব্র রহস্য ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এটি কোনও যৌথ আত্মহত্যার ঘটনা নাকি এর পিছনে কোনও নৃশংস হত্যাকাণ্ড বা অপরাধ লুকিয়ে রয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন দানা বাঁধছে। বর্তমানে পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি এবং ফরেনসিক রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement