এই বাংলায়

তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ

By Eaibanglai - December 03, 2024
— Advertisement —
Advertisement
তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ– তৃণমূল নেতার দাদাগিরির প্রতিবাদে সরব হয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন সবজি বিক্রেতারা ও অন্যান্য দোকানদাররা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল আসানসোলের জামুড়িয়ায়।

ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় মঙ্গলবার সকালে জামুড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের খাস কেন্দা সবজি মার্কেটে বাজার করতে গিয়ে এক সবজি বিক্রেতার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন জামুড়িয়ার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা। এরপর তিনি ওই সবজি বিক্রেতাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ। স্থানীয় একটি সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে যাতে দেখা যাচ্ছে সিদ্ধান্ত রানা এক সবজি বিক্রেতার মুখে সজোরে ঘুষি মারছেন। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা যাছাই করেনি এই বাংলায় নিউজ পোর্টাল। অন্যদিকে ঘটনার প্রতিবাদে সকাল ১০ টা থেকে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন জামুড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের খাস কেন্দা সবজি মার্কেটের বেশ কিছু সবজি ব্যবসায়ী ও অন্য দোকানদাররা। তাদের অভিযোগ সিদ্ধার্থ রানা অন্যায় ভাবে এলাকার হাটে বাজারে থাকা সবজি বিক্রেতাদের হুমকি দিয়ে ভয় দেখান। তার কথার একটু নড়চড় হলেই তাদের ওপর চড়াও হন। এদিকে ব্যস্ত সময়ে জাতীয় সড়কে পথ অবরোধের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা সমাধান সূত্র বার করা হবে বলে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

যদিও, ব্লক সভাপতি তার বিরুদ্ধে উঠা মারধরের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেন। তার দাবি, এলাকায় যানজটের কারণে চিঁচুড়িয়া মোড়ের খাস কেন্দা এলাকার বাজারে ব্যবসায়ীদের রাস্তা ছেড়ে সবজি বিক্রি করতে বলা হয়েছে। কারণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিয়েছেন, কোথাও কোন কিছু দখল করা যাবেনা। তিনি কাউকে মারধর করেননি। এই প্রসঙ্গে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, “কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। দলের তরফে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।”

অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, “এটা নতুন কিছু নয়। গোটা বাংলা জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ছোট বড় সব নেতা এইভাবে দাদাগিরি করছে। থানায় গেলে অভিযোগ নেওয়া হয়না। তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে।”

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement