সংবাদদাতা ,কলকাতাঃ- সম্প্রতি নবান্নে চালু করা হয়েছিল চারটি হেল্পলাইন নম্বর। উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাটমানি, সিন্ডিকেট, অবৈধ রোড ট্যাক্স এবং বেআইনি মদের কারবার নিয়ে অভিযোগ জানাতে পৃথক চারটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়। কিন্তু অভিযোগ এক সপ্তাহে যে কারণে হেল্পলাইন খোলা, সেই ধরনের কোন অভিযোগই আসছে না কন্ট্রোলরুমে। উল্টে ভুলভাল অভিযোগ শুনে জেরবার কন্ট্রোলরুমের আধিকারিকরা।
নবান্ন সূত্রে খবর অভিযোগ আসছে নানা বিষয়ে- যেমন কারও বাড়ির সামনে জল জমছে, কারো বাড়ির কলে জল পড়ছে না, কোথাও কারেন্ট নেই। আবার কারও অভিযোগ, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি। কেউ কেউ তো শরিকি ঝামেলার কথাও এই কন্ট্রোলরুমে জানাচ্ছেন।
নবান্নের এক কর্তার কথায়, গড়ে দিনে হাজারখানেক মতো ফোন আসছে। কিন্তু ৯০-৯৫ শতাংশই উল্টোপাল্টা অভিযোগ। যে উদ্দেশে এই ফোন নম্বর দেওয়া সেই ধরনের ফোন আসছে হাতে গোণা। এক আধিকারিকের কথায়, আসলে অনেকে বুঝতেই পারছেন না ঠিক কি ধরনের অভিযোগ জানাতে এই নম্বর খোলা হয়েছে!
কন্ট্রোল রুমে আসা প্রতিটি অভিযোগই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যে চারটি নির্দিষ্ট বিষয়ে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত অভিযোগ আসা মাত্রই তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ফরওয়ার্ড করা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তবে পানীয় জল পাচ্ছে না, রাস্তা খারাপের মতো অভিযোগগুলো নির্দিষ্ট দপ্তরকে পাঠিয়ে অ্যালার্ট করে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
সরকারের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, টোল-ফ্রি নম্বরের অপব্যবহার বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার উদ্দেশ্যে ভুয়ো তথ্য দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু তারপরও ভুয়ো ফোনেই ভরছে নবান্নের কন্ট্রোলরুম।