এই বাংলায়

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বঞ্চিত মানুষের দাবিদাওয়া ও বিক্ষোভের টুকরো চিত্র

By Eaibanglai - May 11, 2019
— Advertisement —
Advertisement

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ তীব্র গরমে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মানুষের। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলির মতো বৈশাখের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাও। পরিস্থিতি এতটাই কঠিন যে আগামী এক-দেড় মাস কীভাবে এই দুঃসহ গরমের মোকাবিলা করবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ঠিক যেমন বর্তমান অবস্থা পশ্চিম বর্ধমান জেলা জামুড়িয়ার সরকার অনুমোদিত কুষ্ঠ কলোনির। বর্তমানে সমগ্র জামুড়িয়া এলাকার তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রীর কাছাকাছি। তাই সহজেই অনুমেয় ওই কুষ্ঠ কলোনীর মানুষের বর্তমান অবস্থা। পরিস্থিতি আরও দুঃসহ হয়ে উঠেছে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায়। ৬০ নং জাতীয় সড়ক চাকদোলা মোড়ের কাছে রয়েছে সরকার অনুমোদিত এই কুষ্ঠ কলোনি। যেখানে এই মুহুর্তে বাস করে ৩৫টি কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত পরিবার। যেখানে সরকারীভাবে এখনও বিদ্যুৎ পৌঁছায় নি। ইসিএলের কাছ থেকেই কোনওরকমে তার দিয়ে কুষ্ঠ কলোনিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও রক্ষে নেই। কারণ প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা বাজতে না বাজতেই নিয়ম করে কেটে দেওয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ সংযোগ, কখনো দুপুর পর্যন্ত আবার কখনও তারও বেশি। এর ওপর রয়েছে লোডশেডিং। ফলে তীব্র এই গরমে টিনের চাল দেওয়া ঘরে কী অসহনীয় অবস্থার মধ্যে ওই ৩৫টি পরিবার জীবনযাপন করছেন তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। কুষ্ঠ কলোনীর একজনের কথায়, তীব্র গরমে ঠিকমতো খাওয়া তো দূরের কথা ঘুমাতে পর্যন্ত পারছেন না তারা। সারাদিন গাছের তলায় অথবা অন্য কোনো ছায়া জায়গায় বসে গরমের থেকে স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অসহনীয় গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। কিন্তু কবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে তা জানা নেই কারোর। অন্যদিকে, তীব্র গরমে পানীয় জল না পেয়ে রাস্তা অবরোধ করলেন এলাকাবাসীরা।। ঘটনা, দুর্গাপুরের বিধাননগরের হাডকো মোড়ে LIG হাউসিংয়ের। জানা গেছে, প্রতিদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই আবাসিকদের জল সংকট। তাদের অভিযোগ, ভোটের আগেও জলের দাবিতে তারা বিক্ষোভে নেমেছিলেন, কিন্তু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেইসময় তাদের অবরোধ তুলে দিয়েছিল দুর্গাপুর পুরসভা। কিন্তু ভোট পেরোলেও কাজের কাজ কিছু না হওয়ায় ফের বাধ্য হয়ে ওই আবাসিকরা রাস্তা অবরোধ করেন। আরও খারাপ অবস্থা বাঁকুড়া ২ নং ব্লকের অঙ্গওয়ারী কেন্দ্রগুলির। টেন্ডার না হওয়ায় ১৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে অপুষ্টিতে ভুগছেন শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা। জানা গেছে, গত ১৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে ওই অঙ্গওয়ারী কেন্দ্রে খাবার বন্ধ। পুষ্টিকর ও ভরপেট খাবারের পরিবর্তে গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরা পাচ্ছেন দিনে অর্ধেক ডিম আর একটি করে কলা। ফলে চরম অপুষ্টিতে ভুগছেন তারা। এইবিষয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ আধিকারিক অভিমুন্য মন্ডলের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি জানেন। কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য টেন্ডার না হওয়ার জেরে এই সমস্যা। তবে দ্রুত এই সমস্যা মিটে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement