এই বাংলায়

পুকুর ভরাট কে কেন্দ্র করে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের, এলাকায় উত্তেজনা

By Eaibanglai - February 05, 2020
— Advertisement —
Advertisement

সোমনাথ মুখার্জি, অন্ডালঃ- পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তেজনা ছড়াল অন্ডালের খান্দরায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন দলের ব্লক নেতৃত্ব। মঙ্গলবার খান্দরায় একটি পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা থেকে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে খান্দরা শ্মশানের বিপরীতে লোধনা নামে একটি পুকুর রয়েছে। সম্প্রতি সেই পুকুরের আশপাশের জমি বিক্রির জন্য প্লট করছে জমির কারবারিরা। প্লট করার জন্য পুকুরের পাড় কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। আজ সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য ঘটনাস্থলে আসেন দক্ষিণখণ্ড পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা অনন্ত ঘোষ ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন খান্দরা এলাকার তৃণমূল নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। দু পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা থেকে হাতাহাতিতে জড়ায় দু পক্ষ। দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন মারামারিতে আহত হন বলে স্থানীয়রা জানান। অনন্তবাবু বলেন খান্দরায় জমির কারবারিরা পুকুর ভরাট করছে বলে আমার কাছে কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ আসছিল। আমি আজ সেই ঘটনার সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়েছিলাম। তখনই স্থানীয় কয়েক জন তৃণমূল নেতার উস্কানিতে জমির কারবারিরা আমার এবং আমার লোকেদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন অনন্তবাবু। ঘটনার কথা অস্বীকার করে খান্দরা র তৃণমূল নেতা গণেশ বাদ্যকর বলেন অনন্ত ঘোষ মিথ্যা কথা বলছেন। আসলে তিনি এসেছিলেন তোলাবাজি করতে। আমরা কোনো অন্যায় কাজ করিনি। পুকুর বোজানোর অভিযোগ ও মিথ্যা। তাই আমরা কেন তোলা দেব এই প্রশ্ন করতেই অনন্তবাবু তাঁর সহযোগীদের নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। দু পক্ষের অভিযোগ ও মারপিট কে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঝামেলার কারণে বেশ কিছু খন অন্ডাল উখড়া রুটের খান্দরায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এদিকে জমির কারবারে নাম জড়ানো ও হস্তক্ষেপে দলের নেতাদের নাম সামনে আসায় অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল । দলের কেউ এই ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন শাসক দলের ব্লক নেতৃত্ব।এই ঘটনার পরপরই খান্দরা এলাকার তিনজন মোষ পালক তাদের মহিষ চরাতে অন্ডালের ময়রা এলাকার দিকে যান ।জমিতে ফসল খেয়ে নেওয়ার তাদের ২২ টি মহিষ ও একটি গাভী কেড়ে নেওয়া হয় এবং ব্যাপক মারধর করা হয় তাদের বলে অভিযোগ। ফের এই ঘটনার সঙ্গে পূর্ববর্তী ঘটনার যোগ রয়েছে এই অভিযোগে খান্দরা এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ এই ঘটনার সঙ্গে খন্ড পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অনন্ত ঘোষের অনুগামীদের হাত রয়েছে। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে অনন্ত ঘোষের কোন যোগাযোগ নেই বলে জানান। মহিষ পালক সংকর যাদব জানান, তাদের মহিষ গুলি কোন জমির ফসল নষ্ট করেনি অন্যায় ভাবে জমির মালিক তাদের মহিষগুলো ধরে কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা চান এবং তাদেরকে ব্যাপক মারধর করেন বলে অভিযোগ । ঘটনার জেরে জেরে ফের ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে খান্দরা এলাকার মানুষ প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে স্থানীয়রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে আবার নামানো হয় বিশাল পুলিশবাহিনী অবশেষে পুলিশের সহযোগিতায় ফিরিয়ে আনা হয় মহিষ গুলি এরপর অবরোধ তুলে নেন অবরোধকারীরা।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement