উত্তর বাংলা এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা দেশ ও বিদেশ

২-৩ মাসের মধ্যেই ইউসিসি রিপোর্ট, প্রয়োজনে মধ্যরাতেও বিধানসভা ডেকে বিল পাশ: শুভেন্দু অধিকারী

By Eaibanglai - October 13, 2026
— Advertisement —
Advertisement
২-৩ মাসের মধ্যেই ইউসিসি রিপোর্ট, প্রয়োজনে মধ্যরাতেও বিধানসভা ডেকে বিল পাশ: শুভেন্দু অধিকারী

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে জানিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ইউসিসি ড্রাফট খতিয়ে দেখার জন্য গঠিত বিশেষ কমিশনের কাজ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে চলছে এবং আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই তারা চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবে। 

মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, রিপোর্ট হাতে পাওয়া মাত্রই রাজ্য সরকার বিশেষ বিধানসভা অধিবেশন ডেকে এই বিল পাশ করাবে। বিষয়টিকে সরকার কতটা অগ্রাধিকার দিচ্ছে, তা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, “ইউসিসি বিল পাশ করানোর জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তবে মধ্যরাতেও বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হবে।”

মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের মডেল অনুসরণ করেই পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি রূপায়ণের রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। এই আইনের মূল লক্ষ্য হবে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং দত্তক নেওয়ার মতো পারিবারিক বিষয়গুলিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের জন্য একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরি করা। তবে শুরুতেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতি (Adivasi) এবং কিছু প্রাচীন আদিবাসী সম্প্রদায়কে এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে।

ইউসিসি কার্যকর করার পরপরই সরকারের পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে ধর্মান্তরণ রোধে কড়া আইন প্রণয়ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলক ধর্মান্তরণ রুখতে নির্দিষ্ট কোনও আইন নেই। সেই কারণে ইউসিসি বিল পাশের পরেই রাজ্য সরকার ধর্মান্তরণ বিরোধী পৃথক ও কঠোর বিল বিধানসভায় পেশ করার দিকে এগোবে।

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি সোমবার রাইটার্স বিল্ডিংসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে। সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার জন্য কমিটি ইতিমধ্যে একটি প্রশ্নাবলী চূড়ান্ত করেছে। খুব শীঘ্রই সংবাদপত্র এবং সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই প্রশ্নাবলী প্রকাশ করে আমজনতার মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে। ইমেল বা সরাসরি চিঠির মাধ্যমেও সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত পাঠাতে পারবেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই ইউসিসি রূপায়ণ ছিল তাদের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement