সংবাদদাতা,কুলটিঃ- জাতীয় সড়কের যে রামপুর চেকপোস্টে একদা দিন-রাত চলত হর্ন, হাঁকডাক আর নথিপত্রের কাটাছেঁড়া, সেখানে আজ বিরাজ করছে পরম পারমার্থিক নীরবতা! দুই পরিবহণ আধিকারিক দুর্নীতির দায়ে শ্রীঘরে যেতেই যেন রাতারাতি বৈরাগ্য এসে ভর করেছে গোটা দপ্তরের ওপর। ধুলো জমা সরকারি গাড়ি আর অফিসে ঝুলতে থাকা তালা যেন সাক্ষ্য দিচ্ছে-ঝুঁকি নিয়ে ‘উপরি’ কামানোর চেয়ে নিশ্চেষ্ট থেকে সাধু হওয়াই শ্রেয়।
চালককুল এখন পরম শান্তিতে বর্ডার পার হচ্ছেন; কর দেওয়ার সুমতি হলে নিজে গিয়ে জমা দিচ্ছেন, নতুবা রামনাম জপে পার হয়ে যাচ্ছেন অনায়াসে। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া অবস্থান আর সহকর্মীদের জেলযাত্রা দেখে দপ্তরের কর্তারা এখন ‘কাজ না করার’ নিরাপদ বর্ম আঁকড়ে ধরেছেন।
প্রশ্ন একটাই- রাজস্বের চাকা থমকে যাওয়া এই অদ্ভূত নীরবতা কি স্রেফ গ্রেফতারির অভিমানী প্রতিবাদ, নাকি ‘ঘুষ না মিললে ডিউটি নয়’ রাজনীতির এক আধুনিক অধ্যায়?