সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- সিপিআই(এম)-এর শ্রমিক সংগঠন সিটুর পতাকা অপসারণকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হল রানিগঞ্জ বোরো-২ অফিস চত্বরে। এদিন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার মণ্ডল-১ সভাপতির নেতৃত্বে সিটুর পতাকা সরিয়ে সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা ও বিজেপির দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
যুব মোর্চা নেতা তথা বিজেপির মণ্ডল-১ সভাপতি মনু বর্মা এদিন দাবি করেন, এর আগেও বিজেপির পক্ষ থেকে বোরো কর্তৃপক্ষকে সিটুর পতাকা সরানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ যে রাজনৈতিক দলকে রাজ্যের মানুষ বহু বছর আগে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের পতাকা একটি সরকারি দফতরের চত্বরে রাখা উচিত নয়। কিন্তু সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় যুব মোর্চার কর্মীরাই এদিন পতাকাটি সরিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন, জাতীয় পতাকাকে যথাযথ সম্মান দিয়ে পরে নামিয়ে নেওয়া হবে। এদিনের কর্মসূচিতে মনু বর্মা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা রবি কেশরী, বিজেপি ও ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার একাধিক কর্মী-সমর্থক।
অন্যদিকে, এই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সিটু। সিটুর রাণীগঞ্জ কো-অর্ডিনেশন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হেমন্ত প্রভাকর বলেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতি না মেনে বিজেপি জোর করে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের পতাকা সরিয়েছে। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার অর্থ এই নয় যে কোনও রাজনৈতিক দল বা গণসংগঠনের অস্তিত্ব থাকবে না বা তারা কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ক্ষমতায় আসার আগেই বিজেপির কিছু নেতার মধ্যে ক্ষমতার অহংকার তৈরি হয়েছে।”
যদিও এই ঘটনায়বোরো কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।



















