নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আমলে সমাধান হয়নি জলের। এলাকায় জলের কল বসানো হলেও তা থেকে মেলেনা জল। তাই একটি কুয়োই পানীয় জলের একমাত্র ভরসা দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের প্রতাপপুর পঞ্চায়েতের ঘোড়ামারা, বেলতলা ও হাজরা পাড়া-সহ বিস্তীর্ণ আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সংকটে ভুগছেন তাঁরা। বারবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পঞ্চায়েত ও তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় একটি পানীয় জলের কল বসানো হলেও তাতে কয়েকদিন জল পড়েছিল। তারপর থেকে আর কল থেকে জল পড়ে না। ফলে পানীয় জলের জন্য একটি মাত্র কুয়োর উপর নির্ভর করতে হয়। গ্রীষ্মকালে কুয়োর জল শুকিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তখন অপরিষ্কার কুয়োর জলই পানীয় জল হিসেবে ব্যবহার করতে বাধ্য হন এলাকার মানুষ। পাশাপাশি দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজেও এলাকার একটি পুকুরের অপরিস্কার জল ব্যবহার করতে বাধ্য হন মহিলারা। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে দুর্গাপুরের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা “অম্বর ধারা ফাউন্ডেশন” । সংস্থার উদ্যোগে মাঝেমধ্যেই ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে এলাকায়।
সংস্থার সভাপতি শোভা পান্ডে জানান, “আমরা আমাদের সাধ্যমতো নিয়মিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে এটি সাময়িক ব্যবস্থা। স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের উদ্যোগ জরুরি। এর আগের সরকারের কাছেও আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু শুধু প্রতিশ্রুতিই মিলেছিল। এখন রাজ্যে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আদিবাসী এলাকার পানীয় জল সহ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা পরিষেবার জন্য আবেদন করছি।”
প্রসঙ্গত দুর্গাপুরের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি সারা বছর ধরে শিশু বিকাশ,নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতা,স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহ একাধিক সমাজসেবা মূলক কাজ করে থাকে।

















