সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- বৃহস্পতিবার রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আসানসোলের সার্কিট হাউস থেকে ‘অ্যাড মাই বিন’ এর উদ্বোধন করলেন। এই অভিযানে পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ব্যস্ত এলাকাগুলিতে প্রতি ১০০ মিটার অন্তর ডাস্টবিন বসানো হবে। বাজার, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, স্কুলের আশেপাশের এলাকা এবং রাস্তার ধারের খাবারের দোকানগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই ডাস্টবিনগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কারের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে বেসরকারি সংস্থার উপর। এছাড়াও বেসরকারি সংস্থাগুলিকে এই ডাস্টবিনগুলিতে নিজেদের ব্র্যান্ডিং করার অনুমতিও দেওয়া হবে। মন্ত্রীর দাবি এই ব্যবস্থার ফলে একদিকে যেমন এলাকা পরচ্ছিন্ন থাকবে অন্যদিকে পুরসভা ও পুরনিগমের উপর চাপও কমাবে।
এদিনের অনুষ্ঠান থেকে মন্ত্রী বলেন, জনবহুল স্থানে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলে। এমন অভিযোগ খুবই সাধারণ। এই পরিস্থিতিতে এই অভিযান অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হবে। এর পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নতুন ব্যবস্থার সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য মানুষের হাতে প্রায় তিন মাস সময় আছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তা ও জনবহুল স্থানে যারা আবর্জনা ফেলবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে । সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে জরিমানা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
এছাড়াও এদিন তিনি সাফাই কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিগত সরকারকে একহাত নেন। মন্ত্রী বলেন, “সম্প্রতি কালীপাহাড়ি এলাকায় সাফাই কর্মীদের দস্তানা এবং জুতো ছাড়াই নর্দমা ও ম্যানহোল পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুসারে, পরিষ্কার করার জন্য কারও ম্যানহোলের ভিতরে যাওয়া উচিত নয়। রাজ্য সরকার ম্যানহোল পরিষ্কারের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার পরিকল্পনা করছে, যাতে এই কাজটি সম্পূর্ণভাবে যন্ত্রের মাধ্যমেই করা যায়।”

















