এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

ডিএসপিএসপি কোয়ার্টার সমস্যার সমাধানের আশ্বাস ইস্পাত মন্ত্রীর, বৈঠকের পর জানালেন লক্ষণ ঘোড়ুই

By Eaibanglai - August 12, 2026
— Advertisement —
Advertisement
ডিএসপিএসপি কোয়ার্টার সমস্যার সমাধানের আশ্বাস ইস্পাত মন্ত্রীর, বৈঠকের পর জানালেন লক্ষণ ঘোড়ুই

মনোজ সিংহ দুর্গাপুরঃ-   দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ও দুর্গাপুর মিশ্র ইস্পাত কারখানার বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মী দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীতে কারখানর আবাসনগুলিতে বসবাস করছেন। কিন্তু ইস্পাত কর্তৃপক্ষের লিজিং এবং লাইসেন্সিং নতুন নিয়ম নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। লাইসেন্সিং নীতিতে আনা নতুন খসড়া ও কড়া নিয়মগুলির কারণে কোয়ার্টার ধরে রাখা বা নতুন লাইসেন্স পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।  এর প্রতিবাদ  জানিয়ে গত কয়েক বছর ধরে আন্দোলনও করছেন আবাসিকরা। কিন্তু বার বার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনলেও সেভাবে কোন সমস্যার সমাধান হয়নি।

এই আবহে ইস্পাত কারখানার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আবাসনে থাকা নিয়ে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই। তিনি এই সমস্যা নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে ভারী শিল্প ও ইস্পাত বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতি মন্ত্রী ভূপতিরাজু শ্রীনিবাস ভার্মার সাথে দেখা করে সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ও সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, যে সব কর্মীরা একময় নিজেদের শ্রম রক্ত দিয়ে ইস্পাত কারখানা চালিয়েছেন তাঁরা এখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একটু নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ আশ্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে বহুদিন ধরেই শিল্প শহরে জল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি রাজ্যে ক্ষমতার পরির্বতন হয়েছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। ক্ষমতায় আসার আগে  বিজেপি আশ্বাস দিয়েছিল কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকার হলে ডবল ইঞ্জিন সরকার একে অপরের সমন্বয়ে একদিকে যেমন দ্রুত নানা সমস্যার সমাধান করতে পারবে তেমনই রাজ্যকে উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। সেই মতো ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ শুরু করেছে রাজ্য সরকার।


সেই পদক্ষেপের টেউ এসে পৌঁছেছে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরেও। বিধায়ক জানিয়েছেন মন্ত্রী মহাশয় খুব মনোযোগ দিয়ে সমস্ত সমস্যার কথা শুনেছেন ও সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে শুধু ইস্পাত আবাসন নয়, দুর্গাপুর ইস্পাত ও দুর্গাপুর মিশ্র ইস্পাত কারখানার ঠিকা সংক্রান্ত সমস্যার কথাও মন্ত্রীকে জানিয়েছেন বিধায়ক। এবং সেই সমস্যার বিষয়টিও বিবেচনা করে সমাধানের কথা মন্ত্রী জানিয়েছেন বলে দাবি  বিধায়কের।

প্রসঙ্গত, আগে ডিএসপি ও এএসপি-র আবাসন সংত্রান্ত ছোটখাট কাজের জন্য টেন্ডার দিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ করা হতো। ফলে শিল্পাঞ্চলের বহু ঠিকা ব্যবসায়ী কাজ পেতেন। কিন্তু সম্প্রতি সেই নিয়মের বদল করা হয়েছে। ছোট ছোট টেন্ডারের বদলে সমস্ত কাজের একসঙ্গে টেন্ডার করে বড় কোন ঠিকা সংস্থাকে দেওয়া হচ্ছে। ফলে মার খাচ্ছেন শিল্পাঞ্চলের ছোট ছোট ব্যবস্য়ীরা।

অন্যদিকে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়কের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের সমস্ত স্তরের মানুষ। বিশেষ করে আবাসন নিয়ে হেনস্থার শিকার হওয়া শহরের বয়স্ক আবাসিকরা অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তাঁদের আশা এবার হয়তো ভালো কিছু একটা ফয়সলা হবে। জীবনের শেষ দিনগুলো অন্তত একটু নিশ্চিন্তে কাটাতে পারবেন। 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement