নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- রাজ্যে পালা বদলের পর বিজেপি সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছে। এরপর থেকেই রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস, হিংসা, তোলাবাজি, দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা প্রায় প্রতিদিনই গ্রেফতার হচ্ছেন। পাশাপাশি বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করা তৃণমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভও সামনে আসছে। এরই মধ্যে তৃণমূল নেতাকে ধরে গণপ্রহার দেওয়ার খবর উঠে এল দুর্গাপুরের কাঁকসা ব্লকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে।
অভিযোগ একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত ছিল কাঁকসার গোপালপুর গ্রামের শিবদাস মন্ডল নামে ওই তৃণমূল নেতা। দলের প্রভাব খাটিয়ে কখনো কারোর চাকরি খেয়ে নেওয়া কিংবা চাকরির জন্য মোটা অংকের টাকা কাটমানি হিসেবে নেওয়া, এমনকি একুশের ভোটের পর এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তোলা না দেওয়ায় অন্যের দোকান বন্ধ করে দেওয়ার। বুধবার সকালে উত্তেজিত জনতা পৌঁছোয় তার গোপালপুর গ্রামের বাড়িতে, শুরু হয় তৃণমূল নেতাকে ধরে মারধর। খবর পেয়ে কাঁকসা থানার পুলিশ ছুটে যায় ও কোনোক্রমে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে পুলিশ গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি এটা মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। পনেরো বছর ধরে যেভাবে তৃণমূল নেতারা অত্যাচার চালিয়েছে, তাতে এটা হওয়ারই ছিল।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গোপালপুর গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধানকে ডিম থেরাপি দিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে দিয়েছিল উত্তেজিত জনতা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের তৃণমূল নেতাকে গণপ্রহারের ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোপালপুর গ্রাম জুড়ে।


















