eaibanglai
Homeএই বাংলায়মাইথনে ডিভিসির পুরোনো আবাস ভাঙা ও ধ্বংসস্তূপ বিক্রিতে ব্যাপক স্বচ্ছতার অভাব, বাড়ছে...

মাইথনে ডিভিসির পুরোনো আবাস ভাঙা ও ধ্বংসস্তূপ বিক্রিতে ব্যাপক স্বচ্ছতার অভাব, বাড়ছে নিরাপত্তা সংকট

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ- ​অর্ধশতাব্দীরও বেশি পুরনো আবাসন ভেঙে ফেলার নেপথ্যে সরকারি সম্পত্তি বিক্রির স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে ডিভিসির মাইথন লেফ্ট ব্যাঙ্ক এলাকায়। বেহাল পরিকাঠামো ও প্রশাসনিক উদাসীনতায় ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।

​জানা গিয়েছে, প্রায় ১১০টি পুরনো আবাস ভাঙার দায়িত্ব একটি বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তির নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও, এখানে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ইট, দরজা ও চৌকাঠ প্রকাশ্যেই বিক্রি করা হচ্ছে। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তির দোহাই দিয়ে ডিভিসি কর্তৃপক্ষ এর মালিকানা ঠিকাদারের ওপর চাপালেও, লক্ষ লক্ষ ইটের এই বিপুল সম্পদের হিসাব ও বিক্রির পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, পাঁচ দশক আগের এই আবাসগুলির গুণগত মান এতটাই পোক্ত ছিল যে, ভারী যন্ত্রে না ভেঙে বিশেষ ড্রিল ব্রেকার দিয়ে প্রতিটি ব্লক ভাঙতে সময় লাগছে প্রায় তিন দিন। শ্রমিকদের মতে, সামান্য রক্ষণাবেক্ষণেই এই ভবনগুলি আরও বহু বছর টিকে থাকতে পারত।

​এদিকে লেফ্ট ব্যাঙ্ক থেকে কর্মীদের রাইট ব্যাঙ্কে স্থানান্তরের ফলে গোটা এলাকা দ্রুত জনশূন্য হয়ে পড়েছে। লেফ্ট ব্যাঙ্ক গোলচত্বর থেকে বিদ্যালয় পর্যন্ত জঙ্গলঘেরা নির্জন রাস্তায় শিশুদের যাতায়াত নিয়ে অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এর ওপর সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে গেলেও, ডিভিসি আধিকারিকের বিতর্কিত মন্তব্য—”বিদ্যালয় দিনে চলে, তাই পথবাতির প্রয়োজন নেই”-পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

​সরকারি সম্পত্তির যথেচ্ছ নিষ্পত্তি এবং জনবহুল এলাকাকে অন্ধকারে রেখে চরম নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দেওয়ার এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ সচেতন মহল। অবিলম্বে ডিভিসি কর্তৃপক্ষকে পুরো প্রক্রিয়ার শ্বেতপত্র প্রকাশ করে এলাকায় পর্যাপ্ত আলো ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উঠেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments