eaibanglai
Homeএই বাংলায়মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সার, রাতের অন্ধকারে চলছে অবৈধ বালির কারবার

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সার, রাতের অন্ধকারে চলছে অবৈধ বালির কারবার

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সার। রাতের অন্ধকারে অজয়ের বুক চিরে নির্বিচারে চলছে বালি উত্তোলন। এবং রাতের অন্ধকারেই তা পাচার করা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ করছেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসা ব্লকের বনকাটি পঞ্চায়েতের মহিলারা। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ জানিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।

কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কোটালপুকুর সংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে অজয় নদ। অভিযোগ কোটালপুকুর ঘাট থেকে অবাধে চলছে অবৈধ বালি পাচারের কারবার। স্থানীয়দের দাবি মাঝ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে এই অবৈধ কারবার। অজয় থেকে বালি তুলে ট্রাক্টরে বোঝাই করে কখনও দেউল বনাঞ্চলের রাস্তা ব্যবহার করে, আবার কখনও বনকাটি হয়ে ১১ মাইলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ এর ফলে নদীর গতিপথ পরিবতর্ন ও নদীপাড় ভাঙনের যেমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তেমনি ভারী বালি গাড়ির যাতায়াতের ফলে এলাকার রাস্তা ঘাট নষ্ট হচ্ছে। সর্বোপরি এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। বিশেষ করে সারা রাত ধরে গ্রামের মধ্যে দিয়ে বালি গাড়ি যাতায়াত করায় রাতের শান্তি বিঘ্নিত হয়। পাশাপাশি এলাকায় অবৈধ কারবারের সঙ্গে জড়িত বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়েছে। যার ফলে এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমনকি এই অবৈধ কারবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের একাংশের মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি এই এলাকার বালি পাচারের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে একের পর এক বালি বোঝায় ট্রাক্টর দেউল বনাঞ্চল হয়ে যাচ্ছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাছাই করেনি এই বাংলায় নিউজ পোর্টাল।

এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের খেড়োবাড়ি এলাকার মহিলারা সরব হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা মামনি সরেন লিখিত অভিযোগ জানিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক, কাঁকসা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর, কাঁকসার বিডিও এবং কাঁকসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে
অবিলম্বে অবৈধ বালি কারবার বন্ধ ও অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments