সংবাদদাতা,বারুইপুরঃ- বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছে যান পুরমন্ত্রী । সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। নিহত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা এবং সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অগ্নিমিত্রারা ফিরে আসার পর সেখানে দুপুরে পৌঁছোন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমখি হয়ে এদিন অগ্নিমিত্রা বলেন, “আগের সরকারও জিরো টলারেন্সের কথা বলেছিল, কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়নি। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার কাজে দেখিয়ে দিয়েছে। মূল অভিযুক্ত-সহ প্রায় সকলকেই গ্রেফতার করা হয়েছে, একজন এখনও পলাতক। মেয়েটির বাবা নিজেই বলেছেন, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর উপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখছেন। মুখ্যমন্ত্রী বারবার ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন। আইজি, এসপি-সহ প্রশাসনের আধিকারিকরাও নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন। তবে যেভাবে মেয়েটির উপর অত্যাচার হয়েছে, তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। আইন মেনেই কঠোরতম ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু যাবজ্জীবন সাজা দিয়ে করদাতাদের টাকায় তাদের সারাজীবন জেল খাওয়ানো হবে কি না, সেটাও ভাবার বিষয়।”
এর পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যে মাদকাসক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, রাজ্যজুড়ে বেআইনি মদের ঠেকের বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চালানো হবে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সব বেআইনি মদের ঠেক ভেঙে দিতে হবে। বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকান ছাড়া কোনও বেআইনি মদের দোকান থাকতে দেওয়া হবে না।”
প্রসঙ্গত নাবালিকা গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় গত রবিবার থেকে উত্তপ্ত বারুইপুর। রবিবার কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয় স্থানীয় একটি পুকুর থেকে। তার পর থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় বারুইপুরের। ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা হলেন আনন্দ সর্দার, প্রভাস মণ্ডল এবং দিবাকর সর্দার। কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় এক যুবকের।


















