অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, রানীগঞ্জ -: রানিগঞ্জের একটি বিপণীবিতানে পথ হারিয়ে ভিরমি খাওয়া এক দ্বাদশ বর্ষীয়া আদিবাসী ছাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রানিগঞ্জ থানা পুলিশ।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রানিগঞ্জের একটি শপিং মলে একা ও আতঙ্কিত অবস্থায় ঘুরতে দেখা যায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী বন্দনা হাঁসদাকে। সে রানিগঞ্জ থানার জেমারী পঞ্চায়েতের বেলিয়া বাথান গ্রামের বাসিন্দা। কর্মচারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ তাকে থানায় নিয়ে আসে। প্রথমদিকে ভয়ে কিছু বলতে না পারলেও, নারী পুলিশকর্মীদের স্নেহ ও পিজ্জা খাইয়ে দীর্ঘক্ষণ কাউন্সেলিংয়ের পর তার ভয় দূর হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত থানায় আসেন তার আতঙ্কিত পরিবার। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঠিক কীভাবে শিশুটি গ্রাম থেকে এত দূরে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে মেয়ের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে। গ্রামের প্রধান সিদ্ধার্থ মার্ডি পুলিশের এই মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, পুলিশের এই তৎপরতা ও সংবেদনশীলতাই সমাজের আসল শক্তি। এই ঘটনা প্রমাণ করল যে পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নয়, সাধারণ মানুষের আস্থার প্রকৃত প্রতীক।


















