eaibanglai
Homeএই বাংলায়বিদ্যুতের খোলা তারে মরণ ফাঁদ দুর্গাপুরের অম্বুজা নগরী

বিদ্যুতের খোলা তারে মরণ ফাঁদ দুর্গাপুরের অম্বুজা নগরী

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুরঃ– দুর্গাপুরের প্রাণকেন্দ্র সিটিসেন্টারের অম্বুজা নগরী শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকা হিসেবেই পরিচিত। অথচ এই এলাকাই গত প্রায় ২০-২৫ দিন ধরে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সৌজন্যে এলাকার রাস্তার ধারের বাতিস্তম্ভ। হুঁশ নেই প্রশাসনের।

প্রসঙ্গত অম্বুজা নগরীর রাস্তার বাতিস্তম্ভগুলির সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় মাস খানেক আগে থেকে। বাতিস্তম্ভ দাঁড় করিয়ে রাখার জন্য স্তভের নিচের সিমেন্টের বাঁধানো অংশগুলি বহুদিন ধরেই ভেঙে পড়েছিল। তাই সেগুলি ভেঙে ফেলে নতুন করে সিমেন্টিং করা হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ সম্পূর্ণ দায়িত্বহীনভাবে কাজ করছে ওই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকা সংস্থ। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন প্রথমেই এলাকার সমস্ত বাতি স্তম্ভের নিচের সিমেন্টিং অংশগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। তার ফলে বিদ্যুতের খোলা তার বাতিস্তম্ভ থেকে উম্নুক্ত অবস্থায় রেয়িছে পড়েছে। এথচ সেগুলি ঘিরে রাখা বা গার্ড দেওয়ার কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি যার ফলে রাস্তায় রাস্তায় খোলা বিদ্যুতের তারে এলাকা যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোনও সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্টনা। বিশেষত এলাকার ছোটদের নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে ভুগছেন অভিভাবকরা। কারণ খেলতে, খেলতে বা কৌতুহল বশত ওই তারে হাত দিলেই ঘটে যাবে বড়সড় অঘটন।

এই বিষয়ে এডিডিএ (আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ) ও পৌরসভার দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রশ্ন কীভাবে এরকম অপেশাদার ঠিকাদারের হাতে এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হল। এমনকি দিনের পর দিন ধরে বিপজ্জনকভাবে ওই ঠিকাদার সংস্থা কাজ চালিয়ে গেলেও সেবিষয়ে কোনও নজরদারিরও ব্যবস্থা নেই স্থানীয় প্রশাসনের।

বছর খানেক আগে মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় খোলা বিদ্যুতের তারে শিশু সহ একাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। কিছু মানুষের কাণ্ডজ্ঞানহীনতার জন্য কত মা তাদের কোল খালি করে আজ দিশেহারা। তারপরও দিনের পর দিন বিদ্যুতের তার বিপদজ্জনকভাবে উন্মুক্ত রেখে এলাকাকে রীতিমতো মরণ ফাঁদে পরিণত করে বাতিস্তম্ভের সংস্কার কাজ চললেও যেন কোনও হুঁশই নেই স্থানীয় পুর প্রশাসনের। তবে কি বড়সড় কোনও দুর্ঘটনাই ঘুম ভাঙাবে প্রশাসনের? প্রশ্ন এলাকাবাসীর।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments